সোশাল মিডিয়ায় আগলহীন কথাবার্তা, দলের অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে মন্তব্য, এমনকী দলীয় সহকর্মীর বিরুদ্ধে প্🌟রচার! সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা তথ্য অনুসারে, ইদানীং এসবই নাকি ঘটছে, এবং ক্রমশ তার প্রবণতাও বাড়ছে সিপিআই(এম)-এর অন্দরে। এবার তাই সকলস্তরের দলীয় কর্মীদের একটু কড়াভ🐈াবেই সতর্ক করল সিপিআই(এম) রাজ্য নেতৃত্ব।
জানা গিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বস্তরে লিখিত নির্দেশাবলী পাঠানো হয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় কোনও পোস্ট করার সময় দলের সেই ব্যক্তিবিশেষ কী করতে পারবেন, আর কী করতে পারবেন না, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে লিখিত আকারে। যদি কোনও দলীয় সদস্য এরপরও সোশাল মিডিয়ায় আগল ভেঙে এমন কোনও মন্তব্য করেন, যা দল ও সংগঠনের আদর্ܫশ কিংবা স্বার্থবিরোধী, তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নেতৃত্🐓ব যে কঠোর পদক্ষেপ করতেও পিছপা হবে না, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ওই লিখিত নির্দেশনামায়।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে দলের নেতা ও কর্মীদের সংযত থাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, সর্বস্তরে সেই বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছায়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। যেমন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকল্প 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' নিয়ে কটাক্ষ করতে গিয়ে সিপিআই(এম) নেতাকর্মীদের এ൲কাংশ সেটিকে 'ভিক্ষাভাতা' বলে উল্লেখ করেন।
আমজনতার মধ্যে এর বিরূপ রাজনৈতিক প্রভাব পড়েছিল বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এমনকী, বিষয়টি নিয়ে মহম্মদ সেলিম পর্যন্ত উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে দলীয় নেতৃত্ব সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে যে নির্দেশাবলী পাঠিয়েছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে - 'অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, ব্যক্তিগত মতামত দলের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী হꦅয়ে যায়।... সমাজমাধ্যমে কার্যধারা আরও সুসংহত করতে হবে। রাজ্য কমিটি ও জেলা কমিটির সমাজমাধ্যমের কার্যধারার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন।'
ওই নির্দেশনামায় আরও বলা হয়েছে, '🅺সমাজমাধ্যমকে কোনও ভ🌜াবেই আন্তঃপার্টি সংগ্রামের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পার্টি কমিটিকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।'
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সিপিআই(এম)-এর এক নেতার বিরুদ্ধে দলেরই এক মহিলা কমরেডকে যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে। সেই বিষয়ে অভিযোগ ওঠার পরই দলের তরফে তদন্ত করা হয় এবং তাতে ওই নেতা দোষী প্রমাণিত হন ও তাঁর কঠোর শাস্তিও হয়। কিন্তু, তারই মাঝে বিষয়টি সোশাল মিডিয়ায় ফাঁস করে দেন অভিযোগকারিণী। এবং তাঁর সমর্থনে দলের অন্যান্য মহিলা কমরেডও সোশাল সমালোচনা শুরু করে দেন। গোটা ঘটনায় আখেরে দলের ভাবমূ🥃র্তিই নষ্ট হয়। এমন কাণ্ড যাতে আর না ঘটে, সেই বিষয়ে দলের সকলকে সচেতন করতে চাইছে সিপিআই(এম) নেতৃত্ব।